ব্রহ্মা উবাচ
আজন্ম তুমি যত কথা বলে আসছ, তা সবই আমি ব্রহ্মভাবিত সত্যের উচ্চারণ১ (গাং ব্রহ্মবাদিনীম্) বলে মনে করি। তাই তুমি যে রচনাকে কাব্য বলে উচ্চারণ করলে তা কাব্য নামেই পৃথিবীতে বিখ্যাত হবে।
১ মূলে বাক্যের 'উচ্চারণ' এই অর্থে 'গাং' শব্দটি ব্যবহার হয়েছে যার মূল শব্দটি হল 'গো'। গো শব্দের অর্থ কিরণ - সূর্য-চন্দ্র, গ্রহ-তারার কিরণ - "এই তো তোমার আলোকধেনু সূর্য তারা দলে দলে"। গো মানে বাক্, সরস্বতী, গো পৃথিবী। সাধারণ অর্থে গোরু। একজন আলংকারিক শব্দার্থকে বাক্ধেনুর দুগ্ধ বলে অভিহিত করেছেন। ব্রহ্মা এখানে ব্যাসের মহাভারত-কথাকে ব্রহ্মভাবিত শব্দরাশির মর্যাদা দিয়েছেন।