সৌতিঃ উবাচ
সত্যবতীর পুত্র ব্যাস নিজের তপস্যা১ এবং ব্রহ্মচর্য্যের২ শক্তিতে প্রথমে বিমিশ্র বেদশাস্ত্রকে৩ ভাগ করেছিলেন, তারপর মহাভারতের এই পুণ্য ইতিহাস রচনা করেছেন।
১ ‘তপস্যা’, ‘তপঃ’ শব্দের অর্থ এখানে বহুল পরিশ্রম এবং কৃচ্ছসাধন বোঝায়
২ ব্রহ্মচর্য্য মানে জাগতিক বিষয়বস্তুর মধ্যে ইন্দ্রিয়গুলিকে ছেড়ে না দিয়ে সংযতভাবে একান্ত বস্তুতে মনঃসংযোগ করা।
৩ ঋক্, সাম, যজুঃ, অথর্ব ইত্যাদি চতুর্বেদ আগে বিমিশ্র অবস্থায় ছিল। সেখান থেকে ঋগ্বেদের মন্ত্রভাগ, সামবেদের গীতিভাগ, যজুর্বেদের আহুতিকর্ম এবং অথর্ববেদের সার্বিক বৈদিকক্রিয়া পরিচালনার বিষয়গুলি প্রথম পৃথক করেন ব্যাস। এক অর্থে তাঁকেই এই পৃথিবীর সর্বপ্রথম Editor বলা চলে, যিনি বেদ-বিভাগ করে মন্ত্রপাঠ, গান এবং কর্মের প্রযুক্তি নির্ণয় করে দেন।