ব্রহ্মা উবাচ
তোমার এই মহাভারত বস্তুত সূর্যের মতো - ভারতসূর্য। সূর্য যেরকম জগতের বাহ্য অন্ধকার দূর করে মানুষের চৈতন্য সম্পাদন করে, তোমার এই মহাভারতও তেমনই সকল মানুষের অজ্ঞান-অন্ধকার দূর করে দিয়েছে। আর এই কাজটা সম্ভব হয়েছে এই কারণেই যে, মহাভারতের মধ্যে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষলাভের উপায়গুলি তুমি কোথাও সংক্ষেপে (সমাস১) এবং কোথাও বা বিস্তারিত ভাবে (ব্যাস২) আখ্যান-উপাখ্যানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছ।
১ সেকালে একটি গ্রন্থের বিষয়বস্তু স্মৃতিতে ধারণ করার জন্য প্রথমে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হত, সেটাকে বলে ‘সমাস’।
২ গ্রন্থের বিষয়বস্তু বিস্তারিতভাবে বলার নাম ‘ব্যাস’। গ্রন্থের বিষয় বলা এবং সেটা ধারণ করার এই দুই উপায়—‘সমাস-ব্যাস-কীর্তন’ এবং ‘সমাস-ব্যাস-ধারণ’।