সৌতিঃ উবাচ
একদিন মৃগয়া করার সময় মৈথুনরত হরিণরূপী এক মুনিকে বধ করার ফলে পাণ্ডু শাপগ্রস্ত১ হন। তাতে আপন বংশধারা রক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর মহাসংকট উপস্থিত হল। পাণ্ডু তখন তৎকালীন আচারবিধি অনুসারে নিয়োগপ্রথায় যুধিষ্ঠির ও অন্যান্য পুত্রদের জন্ম দিলেন।
১ বনে মৃগয়া করার সময়ে পাণ্ডু একটি হরণকে মেরে ফেলেন। যদিও এই হরিণটি ছিল কিমিন্দম নামে এক মুনি। তিনি হরিণের রূপ ধারণ করে তাঁর হরিণরূপিণী স্ত্রীর সঙ্গে মৈথুনরত অবস্থায় ছিলেন। পাণ্ডু সেই মুনির কাছে এই মর্মে অভিশাপ লাভ করেন যে, কোনো ভাবে মৈথুনে প্রবৃত্ত হলে তাঁরও মৃত্যু হবে। এই অভিশাপের ফলে কোনও সন্তান না হওয়ায় পাণ্ডু খুব কষ্টকর অবস্থায় পৌঁছলেন। এই সমস্যার সমাধানে তৎকালীন সমাজের আচার (তত্রাচারবিধিক্রমঃ) অনুযায়ী বিশিষ্ট অন্য পুরুষের দ্বারা নিয়োগপ্রথার বিধিক্রম স্বীকার করলেন।